http://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাMonday , 6 February 2023
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কিশোরগঞ্জ
  7. কৃষি বার্তা
  8. খেলাধুলা
  9. খোলা কলাম
  10. গনমাধ্যাম
  11. গাইবান্ধা
  12. গাজীপুর
  13. চাকরি
  14. জয়পুরহাট
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিরামপুরে ফেরিওয়ালার সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ

admin
February 6, 2023 10:21 pm
Link Copied!

মোহাম্মদ রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুর বিরামপুর রেল স্টেশনে এক ফেরিওয়ালার সম্পদ আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে। আজ (৬ই ফেব্রুয়ারী ২০২৩) বিরামপুর রেল স্টেশন সংলগ্ন কলোনিপাড়ায় বসবাসরত মৃত কছির উদ্দিন এর ছেলে ফেরদৌস মেন্টু দীর্ঘদিন যাবত রেলস্টেশনে ফেরিওয়ালার কাজ করে বেড়ান। উল্লেখ্য তার পিতার মৃতের পর হইতে স্টেশনে স্টেশনে ফেরিওয়ালা হিসাবে কাজ করেন।

তার পিতার বাড়িতে নিয়মিত ভাবে বসবাস না করায় প্রতিবেশীর ষড়যন্ত্রে তার পিতার বাড়িটি বেদখল হয়ে যায়। তিনি দশ বারো বছর বয়স থেকেই রেলস্টেশনে ও ট্রেনে ফেরিওয়ালার কাজ করেন। তার হাতে থাকা ছোট বাচ্চাদের খেলনা বিভিন্ন সামগ্রী হাতের মধ্যে করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। ফেরদৌস মিনটু ফেরিওয়ালা বর্তমানে বিরামপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পশ্চিম পাশে ফুটপাতে কোনরকমে খেলনার দোকান চালায়। ঠিক তার বয়স যখন ১৫ থেকে ১৮ বছর সে জানতে পারে তার পিতা মৃত্যুর পূর্বে তার নামে কিছু জমি হ্যারাবিল অ্যাওয়াজ দলিল করে দিয়ে যান।

উক্ত কাগজপত্র গুলো সে সংগ্রহ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি উক্ত কাগজপত্র গুলো দিয়ে ফুলবাড়ি সেটেলম্যান অফিসে ৩০ ধারা আপত্তি কেস করেন। সেটেলমেন্ট ৩০ ধারা আপত্তি কেস চলমান অবস্থায় তার কাগজপত্র গুলো বিবাদী নিজেই সেটেলমেন্ট স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করেছেন সঠিক রয়েছে।
এরপরেও সেটেলমেন্ট অফিসার তার বিপক্ষে রায় প্রদান করেন। এ বিষয়ে ফেরদৌস মিন্টু অভিযোগে বলেন,আমার কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও সেটেলমেন্ট অফিসার প্রভাবিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন।

তিনি আরো জানান তার নামে সেটেলমেন্ট অফিস হতে ডিপি খং-নং-৫৫৮,সাবেক ৪০১,হালদাগ-১১৬২,জমির পরিমাণ-০,৪৮৭ অংশের স্বাক্ষরিত ডকুমেন্টস রয়েছে। উল্লেখ্য ৩-১-২২ ইং তারিখ নোটিশের জবাব অনুযায়ী ৩ নং আপত্তি কেসের বাদী ফেরদৌস মন্টু দাবি করেন ৪৩৭ নং খতিয়ানের ওয়ারিশের পুত্র নরেশ চন্দ্রের নিকট থেকে ৯২৩০ নং দলিল মূলে ৩-১- ৮০,সনে উক্ত দলিল মূলে সাবেক ৪০১ দাগের মোট,৩৪ শতকের মধ্যে ০,৫০০ শতক জমি খরিদ করেন তার পিতা মৃত্যু কছির উদ্দিন।

অতঃপর ২৬৯৮ নং দলিল মূলে ১০-০৬-৯২ সনে হেবাবিল এওয়াজ দলিল মূলে পিতার নিকট থেকে ৩নং আপত্তির কেসের বাদী ফেরদৌস মন্টু প্রাপ্ত হইয়া 1x-1/ ১২/৯২-৯৩ নিজ নামে খারিজ করেন। যার খারিজ খতিয়ান নং ৮১৫ B ০২৫৫০৩৬ তাং ১১/৫/১৬ ১৪২৩ সাল পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেন।
উক্ত আপত্তি কেসের বিবাদী আব্দুল জব্বার বাদীর সকল কাগজপত্র সঠিক সেটেলমেন্ট ভূমি অফিসে স্বীকার করেন।

পক্ষান্তরে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি বিবাদীগণ পরবর্তীতে ৩নং আপত্তির বাদী ফেরদৌস মন্টু নামে ৫৫ ৮৯-১৮/১০/৯৮ দলিল মূলে আপত্তির বাদী আব্দুল জব্বারগণ এর নিকট উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করার দলিল সৃষ্টি করেন। উক্ত দলিল মূলে জৈনক শফিকুল আলম এবং আব্দুল জব্বার এর নিকট হস্তান্তর করেন। উক্ত বিষয়ে ৩ নং আপত্তি কেসের বাদী ফেরদৌস মন্টু পক্ষে যথাযথ ভাবে ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিস ৩০ ধারা আপত্তি কেসের রায় প্রধান না করে অন্যায় করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

উল্লেখ্য,বাদী ফেরদৌস মন্টু আরো অভিযোগে বলেন যে উক্ত বিবাদী আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী এবং স্থানীয় তাদের গুন্ডাবাহিনীর দল উক্ত জমিতে প্রবেশ করা আইনগতভাবে কোট আদালতে না যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করেন। উল্লেখ্য ফেরদৌস মন্টু নিত্যান্তই একজন গরীব মানুষ,তিনি রাস্তায় রাস্তায় ফেরিওয়ালার কাজ করে বেড়ান। ছোটবেলা থেকেই তার পিতা মাতা মারা যাওয়ার পর ফেরিওয়ালার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। ফেরদৌস মন্টু পিতা কছির উদ্দিন মারা যাওয়ার পূর্বে তাকে হেবাবিল এওয়াজ দলিল মূলে উক্ত সম্পত্তি রেজিস্ট্রি দলিল করিয়ৈ দেন। যাহা তিনি নাবালক অবস্থায় সঠিকভাবে ফেরদৌস মন্টু সংরক্ষণ করতে সক্ষম হন নাই।

উক্ত পিতার প্রদানকৃত হেবাবিল আওয়াজ দলিলটি অনেক কষ্টের পর সংগ্রহ করে ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিস বরাবর ৩০ ধারায় কেস করেন। পক্ষান্তরে পিতা মাতা মৃত্যুর পর অসহায় অবস্থায় ফেরদৌস মন্টু পাবনা জেলায় অবস্থান করত। তিনি নিত্যান্তই একজন ফেরিওয়ালা দিন আনে দিনে খায় তেমন টাকা পয়সা তার নেই উক্ত জমিতে ফেরদৌস মন্টুর পিতার বসতবাড়ি ছিল। উক্ত বিবাদী অনেক শক্তিশালী ও ভয়ংকর মানুষ তারা পারে না এমন কোন কাজ নেই ।

এমন অবস্থায় ফেরদৌস মন্টুর উপরে নিয়মিতভাবে হুমকি আসতে থাকে। ফেরদৌস মন্টু ফেরিওয়ালার কাজ করে সারাদিনে যে অর্থ সংগ্রহ করেন তা থেকে তার রুজির ব্যবস্থা এবং সেখান থেকেই সেটেলমেন্ট অফিসে ৩০ ধারা কেস দাখিলের খরচ প্রদান করেন। উক্ত সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তা গনকে সে বিশদভাবে বিষয়টি কাগজপত্র ডকুমেন্টসের ভিত্তিতে অবগত করেন। যাতে করে একজন এতিম অসহায় ফেরিওয়ালার সঠিক আইনটি তার পক্ষে আসে কিন্তু উক্ত সেটেলমেন্ট অফিসার আব্দুল কাফি তার পক্ষে রায় দেওয়ার কথা বলে ২ লক্ষ টাকা অর্থের দাবি করেন। সে দিতে না পারায় তার বিপক্ষে রায় প্রদান করেন বলে বাদীর অভিযোগে জানা যায়।

সহযোগিতায় ছিলেন সার্ভার জামাত আলী ও ভারপ্রাপ্ত প্রেস্কার নূর মোহাম্মদ। এ বিষয়ে বাদী ফেরদৌস মন্টু আরো বলেন তার পক্ষে সেটেলমেন্ট অফিসে রায় দেওয়ার পক্ষে উক্ত অফিসার গন ২ লক্ষ টাকা উৎকর্ষের দাবি করেন। উক্ত উৎকোষের টাকা দিতে না পারায় তার বিপক্ষে রায় দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। যোগসাজশে অর্থের প্রভাবে বিবাদী পক্ষের বরাবর রায় প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে ফেরদৌস মন্টু ৩০ ধারার আপত্তি কেসের রায় তার অনুকূলে না থাকায় তার প্রতি অন্যায় ও অবিচার হওয়ায় এডিসি রেভিনিউ দিনাজপুর বরাবর খারিজ বাতিল এর আপিল দায়ের করেন। যাহা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ ডেস্ক: থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।