এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় পৃথক দুটি অভিযানে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়া। গত বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে জিআর মামলা নং ৬৩/২০২২ (সদর), প্রসেস নং-১৯২/২৬, কোড নং-1Q3U4, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ২৪(ক) ধারার মামলায় ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী মোঃ নিপু (২৬)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতা মোঃ আব্দুল লতিফ।
র্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়া মহানগরের উপশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি গ্রেফতার এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।
একই রাতে পরিচালিত অপর অভিযানে জিআর মামলা নং ৯৬/২০১৯ (সদর), প্রসেস নং-১৯৭/২৬, কোড নং-1Q3WE, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১৯(ক) ধারার মামলায় ১ বছর ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী মোঃ মাহিন কাজী (৩৮)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার ধাওয়া ফিকশন এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতা মোঃ গোফফার কাজী।
র্যাব-১২-এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বগুড়া মহানগরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এলাকার সামনে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানায় র্যাব।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামীকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

