এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনটে বসতবাড়িতে সিঁধ কেটে চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করে এক ভরি সোনার গহনা, চার ভরি রুপার গহনা ও একটি স্মার্টফোন নিয়ে গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত থেকে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরের মধ্যে উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের ধামাচামা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ রুপালী আকতার (২৭) এ ঘটনায় ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে চুরি যাওয়া মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৯ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়েঋ রুপালী আকতার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাত সাড়ে ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টার মধ্যে কোনো একসময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা ঘরেরৃ দক্ষিণ পাশে সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে।
চোরেরা ঘরে ঢুকে বিভিন্ন আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র তছনছ করে। একপর্যায়ে র্যাকের ভেতরে থাকা একটি ব্যাগ থেকে এক ভরি সোনার গহনা, চার ভরি রুপার গহনা এবং একটি ভিভো Y3010 মডেলের স্মার্টফোন নিয়ে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, সোনার গহনারৃ আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, রুপার গহনার মূল্য ১০ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোনটির মূল্য প্রায় ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।
রুপালী আকতার জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের মোবাইল ফোন খুঁজতে গিয়ে ঘরের দক্ষিণ পাশে সিঁধ কাটা দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ও মালামাল এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়ে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন।
অভিযোগে চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটির দুটি IMEI নম্বর 866183062612236 ওঋ 866183062612228 এবং সিরিয়াল নম্বর 10EDBY00F4000PG উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় মো. জাকির হোসেন (৩৬), মো.ঋ মোশারফ হোসেন হিরো (৫০)সহ কয়েকজন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ওঋ আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও জানানো হয়।
ভুক্তভোগী রুপালী আকতার চুরির ঘটনায়ৃ সুষ্ঠু তদন্ত, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ধুনট থানায়ৃ লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ধুনট থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মিন্টু ইসলাম
Mintuislam59@gmail.com
ইপেপার