স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার শেরপুরে জাকের পার্টির একটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জাকের পার্টির বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি মো. মাছুম রানা ওয়াসিম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেরপুর পৌরসভার কলেজ রোড এলাকায় অবস্থিত জাকের পার্টির কার্যালয়ে একদল লোক প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এতে কার্যালয়ের তিন পাশের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাঙচুরে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা কার্যালয় থেকে ৮০টি প্লাস্টিকের চেয়ার, দুটি ফ্যান, তিনটি টেবিল, ২৫০টি প্লেট, ১০টি জগ, চারটি বালতি, সাইনবোর্ড, ব্যানার ও দলীয় পতাকাসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য দেড় লাখ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে কার্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি দেখতে পান মাছুম রানা ওয়াসিম। তাঁর অভিযোগ, সেখানে থাকা কয়েকজনের কাছে ভাঙচুর ও মালামাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁকে মারধরের জন্য তেড়ে আসা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মো. শফিকুল ইসলাম বুড়া (৫২), তাঁর ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (২৫), মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫), মো. বিদ্যুৎ সরদার (৩২), মো. জহির উদ্দিন শাহীন (৫৫) ও মো. সমশের উদ্দিন টমর (৩৫)-এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মাছুম রানা ওয়াসিম বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তবে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন বলেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ওসি আরও বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং ভাঙচুর ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মিন্টু ইসলাম
Mintuislam59@gmail.com
ইপেপার