দৈনিক প্রাণের শহর বিডি ডেস্ক:
রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) বগুড়া প্লান্টে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে নতুন একটি সেফালোস্পরিন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
ইডিসিএল সূত্র জানায়, ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের লক্ষ্যে বগুড়া প্লান্টে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রায় চার বছর আগে এখানে একটি সেফালোস্পরিন ইউনিট চালু হওয়ার পর থেকে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন করা হচ্ছে।
বর্তমানে বগুড়া প্লান্টে সেফিক্সিম ২০০ ও ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল, সেফ্রাডিন ৫০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল, সেফট্রিয়াক্সন ৫০০ মিলিগ্রাম ও ১ গ্রাম ইনজেকশন, সেফিউরোক্সিম ৭৫০ মিলিগ্রাম ইনজেকশন, ডব্লিউএফআই ৫ ও ১০ মিলি, সেফ্ট্যাজিডিম ২৫০, ৫০০ মিলিগ্রাম ও ১ গ্রাম ইনজেকশন এবং মেরোপেনেম ৫০০ মিলিগ্রাম ইনজেকশন উৎপাদন করা হচ্ছে।
সূত্রের তথ্যমতে, বগুড়া প্লান্টের প্রায় ২৫ হাজার বর্গমিটার খালি জায়গায় একটি আধুনিক ভ্যাকসিন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ওই ইউনিট চালু হলে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এ ছাড়া প্রায় ৭৭ হাজার বর্গমিটার জায়গায় আরও একটি সেফালোস্পরিন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন ইউনিটগুলো চালু হলে উত্তরাঞ্চলের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বগুড়া প্লান্ট থেকে আরও বেশি পরিমাণে ওষুধ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
ইডিসিএল সূত্র আরও জানায়, সরকারি পর্যায়ে ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত মেরোপেনেম ৫০০ মিলিগ্রাম ইনজেকশনের দাম বাজারদরের তুলনায় কম। খোলা বাজারে এ ইনজেকশনের দাম ১ হাজার ৩০০ টাকার বেশি হলেও ইডিসিএল সরকারের কাছে এটি ৪৫০ টাকায় সরবরাহ করছে বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
গত অর্থবছরে বগুড়া প্লান্ট থেকে সরকারের কাছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে প্লান্টটিতে প্রায় ১ হাজার ১৫০ শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মিন্টু ইসলাম
Mintuislam59@gmail.com
ইপেপার