স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শেরপুরে একটি ব্যাটারিচালিত মিশুক চুরির মামলার প্রধান আসামি মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১২। এ সময় তার কাছ থেকে চুরি হওয়া মিশুকটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর নং-১৭, তারিখ ৯ জুলাই ২০২৬, জিআর নং-১৮৬, ধারা ৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড, ১৮৬০ অনুযায়ী মামলার তদন্তে এ সাফল্য আসে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. আলতাফ হোসেন মন্ডল (৪৭), পিতা মৃত ছবদের আলী, গ্রামের বাড়ি খাগা, ইউনিয়ন খানপুর, থানা শেরপুর, জেলা বগুড়া। তিনি পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত মিশুকচালক। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে ব্যবহৃত তার নিজস্ব ব্যাটারিচালিত মিশুকটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা।
গত ৮ জুলাই রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো তিনি মিশুকটি নিজ বাড়ির একতলা ভবনের একটি কক্ষে চার্জে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘুম থেকে উঠে মিশুক রাখার কক্ষে গিয়ে দেখেন সেটি নেই। পরে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মিশুকটির কোনো সন্ধান না পেয়ে তিনি শেরপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার লোহাগাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামি মো. আলমগীর হোসেন (৪৩), পিতা মো. আলেক উদ্দিন মন্ডল, গ্রাম ধনঞ্জয়, থানা গাবতলী, জেলা বগুড়াকে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযানে চুরি হওয়া ব্যাটারিচালিত মিশুকটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ শেরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি থাকলে তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
স্থানীয়রা র্যাবের এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চুরি হওয়া মিশুক উদ্ধার হওয়ায় ভুক্তভোগী যেমন স্বস্তি পেয়েছেন, তেমনি এলাকায় চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধেও এ ধরনের অভিযান ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মিন্টু ইসলাম
Mintuislam59@gmail.com
ইপেপার