
বৈষম্যবিরোধী গণমাধ্যম আন্দোলন প্রস্তাবিত বগুড়া জেলা কমিটির উদ্যোগ্যে বৃহস্পতিবার জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের চলমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নানান প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা হয়। এতে গণমাধ্যমে কর্মরতদের মধ্যেও বৈষম্যের শিকার লক্ষ্য করা যায়।
পেশাগত কাজ করতে গিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমকে নিজেদের মত করে ব্যবহার করেছে। সত্য প্রকাশ করতে গেলে কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে বহু সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন। শারীরিক এবং মানসিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামের একটি কালো আইন দ্বারা শতশত সাংবাদিককে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ফ্যাসিবাদী সেই সরকারের পতনের পর সবাই প্রাণভরে নি:শ্বাস নিতে পারছেন। ভবিষ্যতে গণমাধ্যমকে যেন কেউ রোধ করতে না পারে সেজন্য ‘বৈষম্যবিরোধী গণমাধ্যম আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে রাজধানীতে। সেই সংগঠনের আদলে বৃহস্পতিবার ‘বৈষম্যবিরোধী গণমাধ্যম আন্দোলন’ বগুড়া জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মানবজমিন পত্রিকার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি প্রতীক ওমরকে প্রধান সমন্বক করা হয়। কমিটির অন্যান্য সমন্বয়কগণ হলেন- আব্দুল ওয়াদুদ (দৈনিক সংগ্রাম), তানভীর আলম রিমন (নিউনেশন), হারুন-উর-রশীদ তালুকদার (আমার সুন্দর দেশ) আতিকুর রহমান সোহাগ (এনটিভি), মৌসুমী আকতার (দৈনিক মহাস্থান), শামীম আহম্মেদ (প্রত্যাশা প্রতিদিন), ফেরদৌস রহমান (নিউনেশন), সুমন সরদার, এনাম আহমেদ (র্ইাজিং বিডি), ইমরান হোসাইন লিখন (দৈনিক যায়যায় দিন), পারভীন লুনা (শেয়ারবিজ), হাসান রুহুল (দৈনিক সাতমাথা), এমদাদ হোসেন (এনটিভি) এটিএম সাদেকুর রহমান লিটন (দৈনিক পাঞ্জেরী), মনির হোসেন (ক্যামেরাপার্সোন, মোহনা টিভি), শাহ মেহেদী হাসান লিটন, আ. ওয়াহেদ ফকির (মুক্তজমিন), কামরুজ্জামান মোমিন (বাংলাদেশ সমাচার), রফিকুল ইসলাম রকি (ক্যামেরাপার্সোন, একুশে টিভি), এসএম সিরাজ (দৈনিক সাতমাথা), জিয়া আলম (দৈনিক সাতমাথা), সামিদুল ইসলাম, রাকিব শান্ত (দৈনিক প্রত্যয়), আব্দুল মজিদ (মুক্তবার্তা)।
চলমান আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে নব গঠিত কমিটি জোরালোভাবে কাজ করে যাবে বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মিন্টু ইসলাম
Mintuislam59@gmail.com
ইপেপার