এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কাটাবাড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগ এবং থানায় দায়ের করা ৪০ লাখ টাকা চুরির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী মোছা. লাভলী আক্তার।
রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) বগুড়ায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া প্রবাসী আবুল কালাম ও তার ভাই হোসেন আলী (পিতা: আবু দাইয়ান, গ্রাম: বস্তাল, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ) পরিকল্পিতভাবে তার স্বামী আব্দুল খালেককে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, গত ৯ জুন ২০২৬ তারিখে সহকর্মীর লকার থেকে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৪০ লাখ ৯৫ হাজার ১৫০ টাকা) নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও বানোয়াট। একই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০ জুন ২০২৬ তারিখে বগুড়ার শাজাহানপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে আব্দুল খালেক ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে আসেন এবং ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে পুনরায় মালয়েশিয়ায় যান। ফলে কথিত চুরির ঘটনার দিন ৯ জুন তিনি নিজ বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কাটাবাড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামেই অবস্থান করছিলেন। তার এই অবস্থানের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হিসেবে পাসপোর্টের ইমিগ্রেশন সিল, ভ্রমণসংক্রান্ত নথি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লাভলী আক্তার অভিযোগ করেন, একটি অসত্য ও মনগড়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তার স্বামী ও পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারে পরিবারটি সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বাংলাদেশ সরকার, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতি বিষয়টির সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান। পাশাপাশি অভিযোগটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের অন্যান্য সদস্য, স্বজন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মিন্টু ইসলাম
Mintuislam59@gmail.com
ইপেপার