https://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাSunday , 6 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি বার্তা
  12. খাগড়াছড়ি
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. খোলা কলাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাস্তার পাশে পুকুর, ভাঙনে বিলীন শেরপুরের এলজিইডির সড়ক প্রতিবছর গুনতে হচ্ছে কোটি টাকার বেশি—ঝুঁকিতে যানবাহন ও পথচারী

admin
September 6, 2026 8:37 am
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :
বগুড়ার শেরপুরে বিভিন্ন গ্রামীণ ও আঞ্চলিক পাকা সড়কের পাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুরের পাড় না থাকায় ভাঙনের কবলে পড়ছে এলজিইডির সড়ক। পুকুরের পানি ও ঢেউয়ের চাপে সড়কের মাটি ধসে একের পর এক পুকুরে বিলীন হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের পর্যাপ্ত নজরদারি ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে প্রতিবছর এসব সড়কের ভাঙন রোধ ও সংস্কারে সরকারের কোটি টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এতে একদিকে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন যানবাহনের চালক ও পথচারীরা।
উপজেলার খামারকান্দি, সুঘাট, খানপুর, বিশালপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক স্থানে গ্রামীণ পাকা ও কাঁচা সড়কের একেবারে লাগোয়া পুকুর খনন করা হয়েছে। কোথাও কোথাও পুকুরের পানি ও ঢেউয়ের কারণে সড়কের মাটি ধসে বড় অংশ পুকুরের মধ্যে চলে গেছে। এতে সড়ক সরু হয়ে পড়েছে এবং ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থান দিয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, জমির মালিকরা পুকুর খনন করে তা লিজ দিয়ে মোটা অংকের অর্থ আয় করছেন। কিন্তু অনেক পুকুরে রাস্তা সংলগ্ন অংশে পর্যাপ্ত পাড় বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে পানির চাপে সড়কের মাটি ধসে পড়ে। সময়ের সঙ্গে ভাঙন বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয় না। ফলে একদিকে জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

ভাঙন ঠেকাতে প্রতিবছর সরকারি অর্থে প্যালাসাইডসহ বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক কাজ করতে হচ্ছে। এতে একই ধরনের সড়কে বারবার সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের প্রায় ১০০টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব ভাঙন দ্রুত সংস্কার করা না হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশে পুকুর খননের ক্ষেত্রে অনেকেই নিয়মনীতি মানছেন না। পুকুরের পাড়ে সড়ক রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত মাটি কিংবা প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে সড়ক ধসে যাচ্ছে। এতে জনগণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিবছর সরকারি অর্থ ব্যয় করে সেগুলো মেরামত করতে হচ্ছে।

তাদের দাবি, সড়কের পাশে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন বন্ধ করতে হবে এবং বিদ্যমান পুকুরগুলোর রাস্তা সংলগ্ন পাড় সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে স্থায়ীভাবে সড়ক রক্ষার ব্যবস্থা করারও দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, “ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করেছি। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে রাস্তার ধারের পুকুর মালিকদের চিঠির মাধ্যমে তাদের পুকুরের পাড় নির্মাণের জন্য জানানো হয়েছে।

 

যারা এটি মানবেন না, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “রাস্তার নিরাপত্তা ও সরকারি অবকাঠামো রক্ষায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সড়কের পাশে পুকুর খনন ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আমাদের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল"প্রাণের শহর বিডি'র জন্য সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন অথবা সিভি পাঠিয়ে দিন। সিভি পাঠানোর ইমেইল Mintuislam59@gmail.com, আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। আমাদের খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।