শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শেরুয়া এলাকায় মাত্র এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলজট। কোথাও হাঁটু সমান, আবার কোথাও তার চেয়েও বেশি পানি জমে স্রোতের সৃষ্টি হয়। এতে মহাসড়কটি যেন অস্থায়ী নদীতে পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আকস্মিক মাঝারি বর্ষণের পর মহাসড়কের হামছায়াপুর ও শেরুয়া ধড়মোকাম এলাকায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। জমে থাকা পানির মধ্য দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল ও স্থানীয় যানবাহনকে।
দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে পানি ছিটকে ভিজে যাচ্ছেন ছোট গাড়ির যাত্রী ও পথচারীরা। অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল পানির মধ্যে বিকল হয়ে পড়ে। পথচারীদের জুতা হাতে নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মহাসড়কের পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা কার্যকর না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চারপাশের পানি এসে সড়কে জমে দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতা তৈরি করছে।
ভুক্তভোগী আশরাফ, রফিকসহ স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তা ফোরলেন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক না থাকলে এই উন্নয়নের সুফল মানুষ পাবে না। সামান্য বৃষ্টিতেই যদি এমন অবস্থা হয়, তবে ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহাসড়ক আধুনিকায়নের সময় ড্রেন নির্মাণ করা হলেও তা পুরোপুরি সচল করা হয়নি। ফলে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়ে সড়কে স্রোত তৈরি হচ্ছে এবং দুর্ভোগ বাড়ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুজ্জামান বলেন, সাসেক-২ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মহাসড়কের জলজট ও জনদুর্ভোগ কমানো যায়।

