এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শাজাহানপুর থানার বহুল আলোচিত রঞ্জু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর পলাতক আসামি সজল মিঞা (৩৫)-কে ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব-১২, ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানি (সিপিএসসি) বগুড়া এবং র্যাব-৪, সদর কোম্পানীর সদস্যরা গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে ঢাকা ডিএমপি পল্লবী থানার সেকশন-১১ এলাকার লালমাটিয়া বাউনিয়াবাধে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করেন।
র্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের বাহিনীটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ জুলাই রাত প্রায় ৯টা ২০ মিনিটে শাজাহানপুর উপজেলার ঘাসিরা পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি ইটভাটার পাশে পূর্বপরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাদীর ভাই খোরশেদ ও ছেলে জোবায়েরকে কয়েকজন ব্যক্তি মারধর করছিলেন। তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে বাদীর স্বামী রঞ্জু মিয়ার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন শাজাহানপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন সজল মিঞা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত করে র্যাব-১২ ও র্যাব-৪-এর যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে ঘটনার মাত্র সাত দিনের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত সজল মিঞা শাজাহানপুর উপজেলার ঘাসিরা গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে শাজাহানপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। চাঞ্চল্যকর অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে র্যাব সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

