এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), বগুড়া। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ইসবপুর এলাকার তিলকপুর থেকে সান্তাহার হবির মোড়গামী পাকা সড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মংলা বাজার এলাকার পারুল বেগম (৫৬) এবং ঘাসুরিয়া এলাকার রুপালী বেগম (৪০)।
ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ইসবপুর এলাকার তিলকপুর থেকে সান্তাহার হবির মোড়গামী সড়কে আব্দুস ছালামের মুদি দোকানের পূর্ব পাশে একটি নম্বরবিহীন যাত্রীবাহী সিএনজিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সিএনজির পেছনের আসনে বসা দুই নারীকে সন্দেহ হলে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে তাদের কোমরের সামনের দিকে বিশেষ কায়দায় বাঁধা অবস্থায় গোলাপি পলিথিনে মোড়ানো পুরোনো কাপড়ের প্যাকেট পাওয়া যায়।
পরে প্যাকেটগুলো খুলে পারুল বেগমের কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং রুপালী বেগমের কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম—মোট ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদকগুলো পরিবহনের উদ্দেশ্যে বিশেষ কৌশলে শরীরের সঙ্গে বাঁধা হয়েছিল।
গ্রেপ্তার পারুল বেগম দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার খট্টা মাদকপাড়া ইউনিয়নের মংলা বাজার এলাকার বাসিন্দা। অপর আসামি রুপালী বেগম একই ইউনিয়নের ঘাসুরিয়া এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক শামীমা আকতার বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকের চালানটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাদক পরিবহনের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তি বা চক্রের সন্ধানে তদন্ত চলছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকা ও দেশের বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মাদকের সরবরাহ ও পরিবহন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

