দৈনিক প্রাণের শহর বিডি ডেস্ক:
আঙ্কারা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
১৫ সেপ্টেম্বর তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দেশটির জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী হি. এ. আলপারসলান বায়রাকতার এবং তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হকের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশে সফরের জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের পক্ষ থেকে তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রীকে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রদূত আমানুল হক।
তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রী আমন্ত্রণটি গ্রহণ করে চলতি বছরের শেষ নাগাদ পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও বিস্তৃতভাবে পর্যালোচনার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে পরবর্তী সম্ভাব্য সুযোগে স্বাক্ষরের জন্য সমঝোতা স্মারক (MoU) প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে প্রস্তাবিত একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়াও হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রদূত।
আলোচনায় সৌরবিদ্যুৎ, খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান ও উন্নয়ন, এলএনজি পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এবং বাংলাদেশের উপকূলীয়/দ্বীপাঞ্চলীয় স্থাপনা থেকে মূল ভূখণ্ডে পাইপলাইন সংযোগসহ জ্বালানি সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. শাহানুর আলম এবং কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মো. আকরাম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। তুরস্কের পক্ষে দেশটির জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয় ও সহযোগিতা বিভাগের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং মন্ত্রীর উপদেষ্টা হামিত জান বাশ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে জ্বালানি খাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাস্তব সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।

