এম, এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় এক বছর দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি এবং শিশু ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১২-এর সিপিএসসি বগুড়া ক্যাম্প।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টা ২৫ মিনিটে বগুড়া সদর থানার চারমাথা সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় এক বছর দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ আরিফ শেখ (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বগুড়া সদর থানার নিশিন্দারা মধ্যপাড়া এলাকার মৃত মিলন শেখের ছেলে।
র্যাবের তথ্যমতে, আরিফ শেখের বিরুদ্ধে জিআর মামলা নং-৪২৩/১৯ (সদর) এবং প্রসেস নং-২১৩/২০২৬ চলমান রয়েছে। আদালতের রায়ে তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, শিশু ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি সাদেক আলী ওরফে চতে (৬৫)-কেও গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে সোনাতলা উপজেলার ফাজিলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ৩০ জুন সোনাতলা উপজেলার নিমেরপাড়া এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে কৌশলে একটি ছ-মিলের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সাদেক আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে ১ জুলাই সোনাতলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় সাদেক আলীকে এক নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।
মামলার পর থেকে তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র্যাবের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনাতলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২-এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ জানান, অপরাধ দমনে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পলাতক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

