এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি মামলার তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১২ (এসআরবি)-এর ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজ্ড কোম্পানি (সিপিএসসি), বগুড়া ক্যাম্প। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মোঃ রাঙ্গা (৪৫)। তিনি গাবতলী উপজেলার ধোড়া পূর্বপাড়া গ্রামের মোঃ বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
এসআরবি-১২-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে বগুড়া সদর থানাধীন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ট্রান্সফরমার চুরি মামলার তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন পলাতক আসামি রাঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সকালে গাবতলী সদর ইউনিয়নের উষ্ণুরখী উত্তরপাড়া এলাকায় একটি সেচ প্রকল্পের বৈদ্যুতিক পোল থেকে ১০ কেভির দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই পোলটিতে মোট ৩০ কেভির তিনটি ট্রান্সফরমার স্থাপন করা ছিল। সেচ প্রকল্পের অপারেটর মোঃ রুবেল আলম সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটি ট্রান্সফরমার দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে সন্ধান না পেয়ে তিনি গাবতলী থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার দুটি সেচ কার্যক্রমের কাজে ব্যবহৃত হতো। ট্রান্সফরমার চুরির কারণে সংশ্লিষ্ট সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ ঘটনায় গাবতলী থানায় গত ১৩ মে মামলা নম্বর-৭ এবং জিআর নম্বর-৯৭ দায়ের করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৭৯/৩৪ ধারায় করা হয়েছে।
এসআরবি-১২, সিপিএসসি বগুড়া ক্যাম্পের কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্তে রাঙ্গার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর রাঙ্গাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া জেলার গাবতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-১২-এর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, অপরাধ দমন ও পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

