দৈনিক প্রাণের শহর বিডি ডেস্ক:
২৫ আগস্ট ২০২৬, ঢাকা — নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ঔষধ বিক্রয় এবং নকল-ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাজার তদারকি করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩৮টি জেলায় অধিদপ্তরের ৫২টি টিম অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ১০৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।
তদারকি কার্যক্রমে বিশেষভাবে মিষ্টির দোকান ও মিষ্টি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। মিষ্টির মূল্য তালিকা প্রদর্শন, প্যাকেট বা বাক্সের ওজন বাদ দিয়ে প্রকৃত ওজন অনুযায়ী বিক্রি, অনুমোদিত খাদ্য উপকরণ ব্যবহার, ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ, উৎপাদন ও বিক্রয়স্থলের পরিচ্ছন্নতা এবং বাসি, পচা ও ছত্রাকযুক্ত মিষ্টি বিক্রয় বন্ধের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
অভিযানকালে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ এবং ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অধিদপ্তর মিষ্টি ব্যবসায়ীদের হালনাগাদ মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন, সঠিক ওজন নিশ্চিত করা, খাঁটি দুধ-ছানা ও অনুমোদিত উপকরণ ব্যবহার এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কাপড়ের রং ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ও বিক্রয়স্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বাসি বা ছত্রাকযুক্ত মিষ্টি বিক্রি না করা এবং প্যাকেটজাত মিষ্টির মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্য তালিকা ও সঠিক ওজন যাচাই, প্যাকেটজাত পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ পরীক্ষা এবং মিষ্টির গুণগত মান ও সংরক্ষণ পরিবেশ নিশ্চিত করে কেনার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।
পাশাপাশি অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হলে বা কোনো অনিয়ম দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে বাজার তদারকি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

