দৈনিক প্রাণের শহর বিডি ডেস্ক:
রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় শিউরে উঠেছে মানুষ।
অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ নামে দুই যুবক শিক্ষক গণপতির বাড়ির ছাদে গিয়ে ইয়াবা সেবন করছিলেন। ছাদে শব্দ শুনে শিক্ষক সেখানে গেলে তাঁদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চান। এ নিয়ে প্রথমে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে তাঁকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
এরপর একে একে শিক্ষকের স্ত্রী ও মেয়ে ছাদে যাওয়ার পথে হত্যার শিকার হন। সর্বশেষ ঘরে ঢুকে তাঁদের শিশুসন্তানকেও হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত দুজন পরস্পরের মামাতো ভাই। তাঁদের একজন একটি স্বর্ণের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
ভাবতেই গা শিউরে ওঠে—একজন মানুষ নিজের বাড়িতে থেকেও যদি অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারণে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে আমাদের সমাজ কোথায় দাঁড়িয়ে?
এই হত্যাকাণ্ড শুধু চারটি প্রাণ কেড়ে নেয়নি; ধ্বংস করে দিয়েছে একটি পরিবারের ভালোবাসা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ।
এ ধরনের নৃশংসতার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী সামাজিক ও আইনগত প্রতিরোধ আরও জোরদার করতে হবে।

