এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় পৃথক অভিযানে মাদক মামলায় আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১২, ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানি (সিপিএসসি), বগুড়া।
র্যাব জানায়, অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৬ জুলাই রাত প্রায় ৮টা ৫০ মিনিটে বগুড়া সদর উপজেলার বারোপুর ব্রিজের নিচে নাছিম ট্রেডার্সের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জিআর মামলা নং-৫০৫/২০২১ (সদর), প্রসেস নং-১৯৬/২৬-এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. আবু নাছের ওরফে বাবু ওরফে রাশেদ (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালত কর্তৃক এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর একই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ১৭ জুলাই রাত ১২টা ১০ মিনিটে বগুড়া সদর উপজেলার দশটিকা (ডাক্তারপাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিআর মামলা নং-১১/২০১৯ (বঙ্গবন্ধু সেতু), প্রসেস নং-১৯০/২৬-এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. সুমন পাইকার (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর মামলায় তিনি দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ আরও জানায়, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করবে। সাধারণ জনগণকে অপরাধ ও মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

