এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ফুচকা ও চটপটি তৈরি এবং খাদ্য সংরক্ষণের অভিযোগে ‘ভাই-বোন ফুচকা ও চটপটি কারখানা’র মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পরিচালিত অভিযানে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ১২ দিনের জন্য বন্ধ রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক, বগুড়ার সার্বিক নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত রহমাননগর এলাকার মৌ নার্সিং হোম সংলগ্ন ‘ভাই-বোন ফুচকা ও চটপটি কারখানা’য় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল।
অভিযানকালে কারখানাটির ভেতরের পরিবেশ দেখে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা বিভিন্ন অনিয়ম ও খাদ্য নিরাপত্তার গুরুতর ত্রুটি দেখতে পান। ফুচকা তৈরির টেবিলের পাশেই ইঁদুর ধরে রাখা অবস্থায় ফুচকা প্রস্তুত করতে দেখা যায়। পুরো উৎপাদন এলাকায় ছিল অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
এ ছাড়া কবুতরের খাঁচার পাশে উৎপাদিত খাদ্য সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। সেখানে কবুতরের বিষ্ঠা ও পালক খাদ্যের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল। ফুচকা ও চটপটিতে ব্যবহৃত সস গরম অবস্থায় নন-ফুডগ্রেড প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
অভিযানে আরও দেখা যায়, ফুচকা ও চটপটির অন্যতম উপকরণ সিদ্ধ ডিম ময়লাযুক্ত অবস্থায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়েছে। সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছিল পচা গাজর। পাশাপাশি সিদ্ধ আলুও অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।
এসব অনিয়ম ও খাদ্য নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় অপরাধ সংঘটনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ ঘটনাস্থলেই আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে কারখানাটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম আগামী ১২ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কারখানায় প্রয়োজনীয় সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও খাদ্য নিরাপত্তাসংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বগুড়া জেলা কার্যালয়কে অবহিত করার পর পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে বলা হয়েছে।
অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল, সিটি কর্পোরেশন, বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. সিদ্দিকুর রহমানসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল দায়িত্ব পালন করে।
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিরাপদ ও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং সরকারের প্রচলিত সব আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
‘ভাই-বোন ফুচকা ও চটপটি কারখানা’র মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পরিচালিত অভিযানে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ১২ দিনের জন্য বন্ধ রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক, বগুড়ার সার্বিক নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত রহমাননগর এলাকার মৌ নার্সিং হোম সংলগ্ন ‘ভাই-বোন ফুচকা ও চটপটি কারখানা’য় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল।
অভিযানকালে কারখানাটির ভেতরের পরিবেশ দেখে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা বিভিন্ন অনিয়ম ও খাদ্য নিরাপত্তার গুরুতর ত্রুটি দেখতে পান। ফুচকা তৈরির টেবিলের পাশেই ইঁদুর ধরে রাখা অবস্থায় ফুচকা প্রস্তুত করতে দেখা যায়। পুরো উৎপাদন এলাকায় ছিল অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
এ ছাড়া কবুতরের খাঁচার পাশে উৎপাদিত খাদ্য সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। সেখানে কবুতরের বিষ্ঠা ও পালক খাদ্যের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল। ফুচকা ও চটপটিতে ব্যবহৃত সস গরম অবস্থায় নন-ফুডগ্রেড প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
অভিযানে আরও দেখা যায়, ফুচকা ও চটপটির অন্যতম উপকরণ সিদ্ধ ডিম ময়লাযুক্ত অবস্থায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়েছে। সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছিল পচা গাজর। পাশাপাশি সিদ্ধ আলুও অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।
এসব অনিয়ম ও খাদ্য নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় অপরাধ সংঘটনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ ঘটনাস্থলেই আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে কারখানাটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম আগামী ১২ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কারখানায় প্রয়োজনীয় সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও খাদ্য নিরাপত্তাসংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বগুড়া জেলা কার্যালয়কে অবহিত করার পর পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে বলা হয়েছে।
অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল, সিটি কর্পোরেশন, বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. সিদ্দিকুর রহমানসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল দায়িত্ব পালন করে।
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিরাপদ ও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং সরকারের প্রচলিত সব আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

