এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও অ্যালকোহল সেবনের অভিযোগে নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার সেউজগাড়ী ও চকসুত্রাপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়ার ‘ক’ সার্কেলের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বগুড়া সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় নয়জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে অ্যালকোহল সেবনের অভিযোগ পাওয়া যায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বগুড়ার গাবতলী উপজেলার গোড়দহ পশ্চিমপাড়ার মো. নান্নু (৪৬), বগুড়া সদরের উষাপাড়ার মো. বাবু প্রামানিক (৩৮), গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর মধ্য রামচন্দ্রপুরের মো. গোলজার রহমান (৩৮), বগুড়া সদরের মালতিনগরের মো. মুজাহিদ (৩৯), গাবতলীর তেলিহাটার মো. সাগর (২০), দুপচাঁচিয়ার মণ্ডলপাড়ার মো. আবু রায়হান (৪৫), ধুনটের নাটাবাড়ীর মো. সোহাগ (২২), বগুড়া সদরের বাদুরতলার মো. লিটন (৫০) এবং থানথানিয়া হিন্দুপাড়ার শ্রী সেতু কুমার (৩০)।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আদালত মো. নান্নুকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অন্যদিকে বাবু প্রামানিক, গোলজার রহমান, মুজাহিদ, সাগর, আবু রায়হান, সোহাগ ও লিটনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। শ্রী সেতু কুমারকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযান শেষে উদ্ধার করা গাঁজা ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতাও প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

