এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলার ২ নম্বর কালেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সম্ভাব্য সভাপতি হিসেবে মহা আলমকে দেখতে চান বলে দাবি করেছেন ইউনিয়নের তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলের প্রতি নিষ্ঠা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি এ দায়িত্ব পালনে যোগ্য প্রার্থী হতে পারেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহা আলম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তার সমর্থকদের দাবি, গত প্রায় ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি একাধিক মামলা, প্রশাসনিক হয়রানি, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। তবে এসব দাবির স্বাধীন যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে মহা আলম ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে সক্রিয় রাখতে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছেন বলেও তাদের দাবি।
সমর্থকদের মতে, তার সাংগঠনিক দক্ষতা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও দলের প্রতি আনুগত্যের যথাযথ মূল্যায়ন করে কালেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হলে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক ঐক্য সুসংহত করা এবং দলীয় কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে তিনি কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবেন বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
কালেরপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ইসলাম হোসেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিপ্লব হোসেন ও আশাদুল ইসলাম এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল নেতা আবু তাহের সাংবাদিকদের বলেন, “মহা আলম একজন সৎ, মানবিক ও ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মী। নেতাকর্মীদের বিপদ-আপদে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেন। দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য যাতায়াতসহ বিভিন্ন ব্যয়ও অনেক সময় নিজেই বহন করেন।” তাদের দাবি, তাকে কালেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত করা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জন ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, “দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে। দলীয় গঠনতন্ত্র, সাংগঠনিক প্রক্রিয়া এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে ভবিষ্যতে কালেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃত্ব চূড়ান্ত করা হবে।”
উল্লেখ্য, কালেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের নতুন নেতৃত্ব গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম আলোচনায় এলেও মহা আলমের নাম তৃণমূলের একটি অংশের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন। তবে চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে দলের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত।

