https://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাMonday , 3 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কৃষি বার্তা
  11. খাগড়াছড়ি
  12. খুলনা
  13. খেলাধুলা
  14. খোলা কলাম
  15. গনমাধ্যাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ার ধুনটে নিষিদ্ধ চায়না ও কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য, হুমকিতে দেশীয় মাছের প্রজনন

admin
August 3, 2026 4:47 pm
Link Copied!


এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ ‎বর্ষা মৌসুমে বগুড়ার ধুনট উপজেলার খাল-বিল, নদী ও জলাশয়ে বেড়েছে নিষিদ্ধ চায়না (দুয়ারি) ও কারেন্ট জালের ব্যবহার। পরিবেশবিধ্বংসী এসব জাল দিয়ে নির্বিচারে মাছ শিকারের ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা, ডিম ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎স্থানীয় বাসিন্দা, জেলে ও উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্ষার পানিতে বিভিন্ন জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়া ছোট মাছ ও রেণু ধরতে এক শ্রেণির শিকারি নিয়মিত এসব নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর খাল-বিল, নদী ও জলাশয়ের তলদেশে জাল পেতে রাখা হয়। ক্ষুদ্র ফাঁসবিশিষ্ট হওয়ায় এসব জালে বড় মাছের পাশাপাশি ডিম, পোনা, শামুক-ঝিনুক, জলজ পোকামাকড় ও অন্যান্য উপকারী জলজ প্রাণীও আটকা পড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

‎উপজেলার মথুরাপুর, চৌকিবাড়ী, গোপালনগর, চিকাশী, কালেরপাড়া, নিমগাছী, গোসাইবাড়ী ও এলাঙ্গী ইউনিয়নের বিভিন্ন জলাশয়ে এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে। চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি এলাকার ইছামতি নদীতেও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যেই এসব জাল বিক্রি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

‎উপজেলা মৎস্য অফিস জানায়, গত এক মাসে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে শত শত মিটার কারেন্ট জাল এবং বহু চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ জাল বিক্রির দায়ে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে কয়েক ডজন নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যার বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা।

‎স্থানীয় প্রবীণ জেলেদের ভাষ্য, চায়না জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে। এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে মাছ ধরা জেলেদের জীবিকাও সংকটে পড়েছে। তারা নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানান।
‎বাংলাদেশের প্রচলিত মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও বিক্রির বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড এবং জাল জব্দ ও ধ্বংস করার বিধান রয়েছে। তবুও মাঠপর্যায়ে এসব জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

‎ধুনট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আরিফ আহমেদ বলেন, জনবল সংকট ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
‎সংশ্লিষ্টদের মতে, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই নিয়মিত অভিযান, বাজার তদারকি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আমাদের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল"প্রাণের শহর বিডি'র জন্য সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন অথবা সিভি পাঠিয়ে দিন। সিভি পাঠানোর ইমেইল Mintuislam59@gmail.com, আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। আমাদের খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।