শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বিদ্যালয় থেকে নয় শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। পরে এক শিক্ষার্থী কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে অপর আট শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন স্বজনরা। এ ঘটনায় শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলো—মামুন (১২), ওমর ফারুক (১২), সীমান্ত (১১), হান্নান (১৩), সুমন (১২), সাব্বির (১২), সিয়াম (১১), ফয়সল (১৩) ও রিফাত (১২)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ওই শিক্ষার্থীরা মহিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। সকাল ৯টার দিকে মহিপুর পিসি ভাটা এলাকার মুকুল হোসেনের ছেলে মোতালেবসহ কয়েকজন তাদের জোরপূর্বক একটি ইজিবাইকে তুলে ৯ মাইল এলাকায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেখানে তাদের আটকে রাখা হয় বলে দাবি করেছেন স্বজনরা।
পরে দুপুর ৩টার দিকে রিফাত নামের এক শিক্ষার্থী শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে চলে আসে। এরপর সে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়। খবর পেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্য আট শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন।
ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর মা ফেন্সি বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে বাড়িতে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে ঘটনাটি জানায়। আমরা দ্রুত অন্য অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং শিশুদের উদ্ধার করি।’
এ ঘটনায় অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিরা হলেন—মহিপুর পিসি ভাটা এলাকার মুকুল হোসেনের ছেলে মোতালেব, শাহিন মাস্টারের ছেলে হাসান, জামতলা এলাকার রাব্বি ও আশিক এবং ৯ মাইল এলাকার সাব্বির হোসেনসহ আরও কয়েকজন।
অভিযোগের বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

