স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়ার শেরপুরে ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ন প্যানেলে বিজয়ীদের উদ্যোশে শুকরানা নামাজ, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব হামছায়াপুর দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোঃ আব্দূল্লাহ আল মোস্তাফিধ নাসিম এর সঞ্চালনায় ও উপজেলা জামায়াতের আমীর বিশিষ্ট শিল্পপতি শেরপুর ধুনট নির্বাচনী এলাকার জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ দবিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা কর্মপরিষদ অন্যতম সদস্য শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুল হালিম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা, শাহ্ বন্দেগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ কাজী আবুল কালাম আজাদ, শেরপুর উপজেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা মোঃ নাজমুল হক, এ্যসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ছাত্র নেতা মোঃ শাহীন আলম , ইসলামী ছাত্রশিবিরের বগুড়া জেলা পূর্ব সভাপতি ছাত্রনেতা মোঃ জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল মান্নান, বজলুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল হক, উপজেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মোঃ আব্দুস সাত্তার, প্রচার সেক্রেটারী মোঃ ইফতেখার আলম, শহর আমীর কৃষিবিদ আব্দুল খালেক,শাহ আলম সোহান প্রমুখ।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে আলহাজ্ব মোঃ দবিবুর রহমান বলেন জুলাই আন্দোলনের শহীদের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ডাকসু নির্বাচনে ।একদিকে ছিল দিল্লির আধিপত্যবাদের গোলামী প্রতিষ্ঠা করার জোট অপরদিকে ছিল জুলাই শহীদদের স্বপ্নের একটা সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দেওয়ার জোট সেখানে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট বিজয়ী হয়েছে এই বিজয় সারা বাংলার এ বিজয় তৌহিদী জনতার কারণ ডাকসু নির্বাচন শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না আমরা দেখেছি একটা দলের বিশেষ কর্মীরা ডাকসুর নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন সুতরাং এ নির্বাচন সারা বাংলাদেশের নির্বাচন। মানুষ এখন পরিবর্তন চায় চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ গঠন করতে বদ্ধপরিকর সুতরাং আমরা এই বিজয়ে আনন্দিত হবো তখন যখন এই বাংলাদেশে দ্বীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা শহীদের রক্তের বদলা নিতে পারব। উক্ত অনুষ্ঠানে শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রায় সহস্রাধিক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে ডাকসু নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন এবং যারা পরাজিত হয়েছেন সবাইকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং যাদের উপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমানত অর্পণ করলেন সে আমানতের খেয়ানত যেন না হয় এ ব্যাপারে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয় এবং ডাকসু নির্বাচনে একজন গণমাধ্যম কর্মী নিহত হওয়ায় তার জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

