https://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাMonday , 31 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি বার্তা
  12. খাগড়াছড়ি
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. খোলা কলাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ার শেরপুরে ৫৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

admin
August 31, 2026 4:12 pm
Link Copied!

শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি:
বিনা মূল্যে পড়াশোনা, বিনা মূল্যে বই, প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও তুলনামূলক ভালো অবকাঠামো। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসব সুবিধা থাকলেও বগুড়ার শেরপুরে অনেক অভিভাবক সন্তানকে কিন্ডারগার্টেন বা বেসরকারি বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। বাড়তি খরচের চাপ থাকলেও তাঁদের যুক্তি, সন্তানের প্রতি বেশি নজরদারি, ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব, নিয়মিত পরীক্ষা ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে কিন্ডারগার্টেনে পড়াশোনার পরিবেশ ভালো।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সংকট। শেরপুর উপজেলায় ১৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৬টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। অর্থাৎ প্রায় ৪১ শতাংশ বিদ্যালয় চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ না হওয়ায় এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১২ ও ২০১৮ সালে কিছু প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও এরপর দীর্ঘদিন নিয়োগ হয়নি। ফলে প্রধান শিক্ষকসংকট কাটেনি।

প্রধান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি সরকারি বিদ্যালয়ের পাঠদানের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার গাড়ীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। এ সময় চতুর্থ শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি রিডিং পড়তে পারছে না বলে তাঁর নজরে আসে। পরে তিনি শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

শিক্ষক আব্দুর রশিদ বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ে মাতৃভাষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও কিন্ডারগার্টেনে শুরু থেকেই ইংরেজি, স্পোকেন ও উচ্চারণের ওপর জোর দেওয়া হয়। এ কারণে অভিভাবকদের একটি অংশ কিন্ডারগার্টেনের দিকে ঝুঁকছেন।

শিক্ষক ফারুক আহমেদ বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের অনেক শ্রেণিকক্ষে ৫০ থেকে ৭০ জন, কখনো তারও বেশি শিক্ষার্থী থাকে। ফলে একজন শিক্ষকের পক্ষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রতি আলাদা নজর দেওয়া কঠিন। কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষার্থী তুলনামূলক কম থাকায় ব্যক্তিগতভাবে নজর দেওয়ার সুযোগ বেশি।

তবে অভিভাবকদের অভিযোগ, উপজেলার অনেক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার মানও ভালো নয়। প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠানে। তারপরও নিয়মিত পরীক্ষা, পড়াশোনার কড়াকড়ি, অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও ইংরেজি শিক্ষার কারণে তাঁরা সন্তানকে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন।

কয়েকজন অভিভাবক বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ে খরচ কম হলেও মানসম্মত পাঠদান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে তাঁদের আস্থা ফিরবে না। সন্তানকে ভালো শিক্ষা দেওয়ার জন্য বাড়তি খরচ হলেও তাঁরা কিন্ডারগার্টেন বেছে নিচ্ছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো পূরণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই এর সমাধান হবে। বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণে খুব দ্রুতই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের মান, তদারকি ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর বিষয়েও অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আমাদের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল"প্রাণের শহর বিডি'র জন্য সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন অথবা সিভি পাঠিয়ে দিন। সিভি পাঠানোর ইমেইল Mintuislam59@gmail.com, আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। আমাদের খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।