শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি জনকল্যাণমূখী ও নির্বাচনমূখী দল উল্লেখ করে শেরপুর ধুনট নির্বাচনী এলাকার জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শেরপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ দবিবুর রহমান বলেছেন,।
“জামায়াতে ইসলামী সব সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আগামীকাল নির্বাচন হলেও জামায়াতে ইসলামী প্রস্তুত রয়েছে। তবে তার আগে গণহত্যার বিচার, মৌলিক সংস্কার এবং প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসর ও ডালে ডালে বসে থাকা হুতুম পেঁচাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। সবার জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। তা না করে যেনতেনভাবে একটি নির্বাচন মেনে নিবে না এবং জনগণ তা চায় না।”
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সকল ইসলামী দল ও সমমনা দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিকে সাথে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। বৃহত্তর ঐক্য গড়ে হায়েনার কবল থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জামায়াত কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার ( ৩ সেপ্টেম্বর ) বাদ মাগরিব দহখানপুর ৭ নং ওয়ার্ড শাখার খানপুর বাজারে উক্ত ইউনিয়নের আমির ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আব্দুল খালেক ফকির এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী হাফেজ গোলাম সারওয়ার এর সঞ্চালনায় উক্ত সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর উপজেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারী মোঃ ইফতেখার আলম, মির্জাপুর ইউনিয়ন আমীর ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা মোঃ জহুরুল ইসলাম, সেক্রেটারি আবু সুফিয়ান, খানপুর ইউনিয়ন বায়তুল মাল সম্পাদক মাষ্টার ময়নুল ইসলাম যুব বিভাগের সভাপতি মোঃ মহিবুল হক, সেক্রেটারি মোঃ শাহাদাত হোসেন, প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওঃ মোঃ দবিবুর রহমান আরও বলেন,
“জামায়াত কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীর জন্য রাজনীতি করে না। আমরা দেশের মাটি ও মানুষের জন্য রাজনীতি করি। আমাদের লক্ষ্য একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী, মানবিক ও ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র গঠন, যেখানে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি থাকবে না। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখলে আমরা রাজা হব না, বরং জনগণের সেবক হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ মানুষ নিশ্চিত নয় যে তারা পছন্দের প্রার্থীকে নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারবে কি না। সরকার এখনো সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারেনি।
একটি দলের নেতারা হুমকি দিচ্ছে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বাড়ি ফেরা যাবে না। কেউ কেউ এমনকি ঘোষণা দিচ্ছেন ব্যালট পেপার ছাপানোর সময় তারা উপস্থিত থাকবেন— প্রয়োজনে নিজেরাই ব্যালট ছাপিয়ে কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। এটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য কোনোভাবেই শুভ লক্ষণ নয়।”
তিনি অভিযোগ করেন, “মৌলিক সংস্কার না করেই নির্বাচন কমিশন রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। যেনতেনভাবে নির্বাচন করে একটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর স্বপ্ন জনগণ কোনোদিন পূরণ হতে দেবে না।”
উক্ত অনুষ্ঠানে খানপুর দহপাড়া এলাকার প্রায় সাত শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

