মিন্টু ইসলাম:
বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় সম্প্রতি সম্পন্ন ও চলমান বিভিন্ন উন্নয়নকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এসব কাজ পরিদর্শন করে কাজের মান বজায় রাখা ও চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু সংশ্লিষ্টদের এসব নির্দেশনা দেন।
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বারোদুয়ারী হাটে কসাইখানা নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এ কসাইখানা চালু হলে হাটে জবাই করা পশুর রক্ত ও আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হবে। এতে হাটের পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়তা করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এ ছাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টাউন কলোনি থেকে শেরপুর-নন্দীগ্রাম সড়ক পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের সড়ক আরসিসিকরণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটির প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সড়কটি নির্মাণ শেষ হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধুনট মোড় এলাকার ফরেস্টগামী সড়ক থেকে শেরপুর শহীদিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার গেটসংলগ্ন প্রাথমিক ড্রেন পর্যন্ত ৬৫৬ ফুট দৈর্ঘ্যের আরসিসি ড্রেন নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। বর্তমানে মাটি খননের কাজ চলছে। ড্রেনটি নির্মিত হলে মাদ্রাসা, মাদ্রাসা মার্কেটসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।
অন্যদিকে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিনগর এলাকায় হাইওয়ে থেকে কাজী অফিসগামী ৬২৪ ফুট দৈর্ঘ্যের সড়ক আরসিসিকরণের কাজের লে-আউট দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনকালে প্রকল্পটির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রশাসক ও ইউএনও মো. সাইদুজ্জামান হিমু প্রতিটি প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও মান সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

