স্টাফ রিপোর্টার:
বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানার সামনে থেকে জোড়া খুন ও ডাকাতি মামলার আসামি রফিকুল ইসলাম (৪০) পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আদালত পুলিশের ছয় সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতোয়ার রহমান জানান, এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সুফিয়ানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়াও আদালতের এসআই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
প্রত্যাহার হওয়া সদস্যরা হলেন আদালত হাজতখানার ইনচার্জ এটিএসআই গোলাম কিবরিয়া, আতাহার আলী, আবদুর রাজ্জাক এবং কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন, দুলাল মিয়া ও জাকির হাসান। পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদের পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, রফিকুল ইসলাম বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বশিকোড়া চকপাড়া গ্রামের নছির আকন্দের ছেলে। তিনি গত ৯ জুলাই রাতে দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়নের লক্ষীমণ্ডপ পূর্বপাড়া গ্রামের আফতাব হোসেন (৭০) ও তার ছেলের স্ত্রী রিভা আকতারকে (৩০) হাত-পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যার মামলার আসামি।
সোমবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে আদালত হাজতখানা থেকে কারাগারে ফেরত নেওয়ার সময় রফিকুল কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় আদালত এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয় এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পলাতক আসামিকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

