এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর আতিকুর রহমান সাগর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১৭ নম্বর পলাতক আসামি মো. ফিরোজকে (৩০) নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নরসিংদীর শিবপুর মডেল থানাধীন শিবপুর ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ফিরোজ বগুড়া সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া এলাকার মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে। র্যাব-১২-এর সিপিএসসি বগুড়া এবং র্যাব-১১-এর সিপিএসসি নরসিংদীর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে গত ২৩ জুলাই রাত আনুমানিক ২টার দিকে বগুড়া সদর এলাকায় আতিকুর রহমান সাগরকে পথরোধ করে একদল ব্যক্তি মারধর করে। একপর্যায়ে প্রাণভয়ে সাগর শাখারিয়া ইউনিয়নের চালিতাবাড়ী সাখিনে জাহিদুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে হামলাকারীরা ধারালো রামদা ও চাকু দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাগরের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী মোছা. মার্জিয়া আক্তারসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ২৪ জুলাই বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩০২, ৫০৬(২), ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার নম্বর-১০০।
র্যাব-১২ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফিরোজ গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, তিনি নরসিংদীর শিবপুর ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করছেন। তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১২ ও র্যাব-১১-এর যৌথ দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেফতার ফিরোজকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ আরও জানায়, চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

