https://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাSunday , 6 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি বার্তা
  12. খাগড়াছড়ি
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. খোলা কলাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়া শিবগঞ্জে তিন ফসলি জমিতে খাদ্যগুদাম নির্মাণের উদ্যোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ

admin
September 6, 2026 7:21 pm
Link Copied!


‎এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ ‎বগুড়ার শিবগঞ্জে উর্বর তিন ফসলি কৃষিজমিতে প্রস্তাবিত আঞ্চলিক খাদ্যগুদাম (সিএসডি) নির্মাণের উদ্যোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, খাদ্য সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণের জন্য কৃষিজমি বেছে নেওয়া হলে একদিকে যেমন আবাদি জমি কমবে, অন্যদিকে বহু কৃষক পরিবার জীবিকার প্রধান উৎস হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। তাই প্রকল্পটি অনাবাদি বা অকৃষি জমিতে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

‎ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের আপসন-সাদুরিয়া এলাকায় বগুড়া-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ‘ফসলি জমি রক্ষা আন্দোলন কমিটি’র উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই দুই এলাকার প্রায় দুই হাজার কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।
‎মানববন্ধন শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় কৃষক মুনছুর রহমান, মাওলানা সানাউল্লাহ, আব্দুল কাদের, আলাউদ্দিন, মিনহাজুল ইসলাম, ওয়াজেদুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কৃষকেরা।

‎সমাবেশে বক্তারা বলেন, আপসন ও সাদুরিয়া মৌজায় প্রস্তাবিত খাদ্যগুদাম নির্মাণের জন্য শতাধিক বিঘা জমি বিবেচনা করা হচ্ছে। এসব জমি অত্যন্ত উর্বর এবং সারা বছর বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদিত হয়। জমিগুলোতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সেচব্যবস্থা থাকায় কৃষকেরা নিয়মিত ধান, আলু, সরিষাসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল চাষ করেন।
‎কৃষকদের ভাষ্য, এলাকার বিপুলসংখ্যক পরিবারের জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এসব জমির ওপর নির্ভরশীল। ফলে কৃষিজমিতে সরকারি স্থাপনা নির্মাণ করা হলে শুধু ফসল উৎপাদনের জমিই কমবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্থানীয় কৃষিনির্ভর অর্থনীতিও।

‎বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকেরা প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ফসল উৎপাদন করেন। সেই উৎপাদনশীল জমি অধিগ্রহণ করে খাদ্য সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণের সিদ্ধান্ত কৃষির স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁদের মতে, খাদ্যগুদাম নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও এর জন্য কৃষিজমি বেছে নেওয়ার বিকল্প নেই—এমনটি নয়।
‎কৃষকেরা আরও বলেন, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনাবাদি, পতিত কিংবা অকৃষি জমিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া এবং কৃষিজমি সংরক্ষণ—দুই উদ্দেশ্যই পূরণ করা সম্ভব। এতে কৃষকেরাও তাঁদের উৎপাদন ও জীবিকা অব্যাহত রাখতে পারবেন।

‎সমাবেশ থেকে তিন ফসলি জমিতে খাদ্যগুদাম নির্মাণের প্রস্তাব বাতিল করে বিকল্প অকৃষি জমিতে প্রকল্প স্থানান্তরের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর কর্মসূচি ও দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন কৃষকেরা।
‎‘ফসলি জমি রক্ষা আন্দোলন কমিটি’র নেতারা জানান, কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে পর্যায়ক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কাছেও বিষয়টি তুলে ধরা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তাঁরা।

‎স্থানীয় কৃষকদের দাবি, খাদ্যগুদাম নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তাঁরা অস্বীকার করছেন না; তবে খাদ্য উৎপাদনের মূল ভিত্তি কৃষিজমি নষ্ট করে খাদ্য সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণের পরিবর্তে এমন স্থান নির্বাচন করা হোক, যাতে উন্নয়ন ও কৃষি-দুই ক্ষেত্রের স্বার্থই রক্ষা পায়।

আমাদের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল"প্রাণের শহর বিডি'র জন্য সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন অথবা সিভি পাঠিয়ে দিন। সিভি পাঠানোর ইমেইল Mintuislam59@gmail.com, আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। আমাদের খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।