দৈনিক প্রাণের শহর বিডি ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড পরিমাণ বিনিয়োগ, উৎপাদন খাতে ঐতিহাসিক প্রবৃদ্ধি এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, প্রবৃদ্ধিমুখী নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রমে গতি এসেছে এবং বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানও বেড়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও উৎপাদন খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন প্রবৃদ্ধিমুখী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশীয় শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানো, উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং বিদেশে চলে যাওয়া উৎপাদন কার্যক্রমের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা।
প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘মেড ইন আমেরিকা’ নীতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় শিল্পে নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে উৎপাদন খাতে নতুন কারখানা, সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, নতুন বিনিয়োগ ও শিল্প কার্যক্রমের সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি খাতে চাকরির সুযোগও বেড়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সরবরাহব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় শিল্প ও শ্রমবাজারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেও এ নীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে এসব দাবির সামগ্রিক প্রভাব মূল্যায়নে সরকারি পরিসংখ্যান, বিনিয়োগের প্রকৃত পরিমাণ, উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের তথ্য সময়ভিত্তিকভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। কারণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিভিন্ন সূচকে পরিবর্তনের পেছনে সরকারি নীতির পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতি, সুদের হার, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও বাজার পরিস্থিতির মতো অন্যান্য কারণও ভূমিকা রাখতে পারে।
ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য তাদের অর্থনৈতিক কর্মসূচিকে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প পুনরুজ্জীবন এবং ‘মেড ইন আমেরিকা’ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে তুলে ধরছে।

