এম.এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে উপজেলা প্রশাসন ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনালে সান্তাহার পৌরসভাকে ২-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদ। রোমাঞ্চকর ফাইনালে জয় নিশ্চিত করে শিরোপার পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার প্রাইজমানি জিতে নেয় বিজয়ী দল। অন্যদিকে, রানারআপ সান্তাহার পৌরসভা পেয়েছে ২০ হাজার টাকা।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আদমদীঘি ঈশ্বর পূর্ণ জয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার।
আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম চ্যাম্পিয়ন দলের পক্ষে ট্রফি ও পুরস্কার গ্রহণ করেন। রানারআপ সান্তাহার পৌরসভার পক্ষে ২০ হাজার টাকার প্রাইজমানি গ্রহণ করেন পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান তালুকদার।
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মুত্তাকিন তালুকদার মুক্তা, জেলা বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুল হক টিকন, জেলা যুবদলের সদস্য মিজানুর রহমান তালুকদার জিকো, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা ও নাজিম উদ্দীন।
এ ছাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বাপ্পী এবং সদর ইউনিয়নের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়ন সরকারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে গত ৫ অক্টোবর একই মাঠে আটটি দলের অংশগ্রহণে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দলগুলোর মধ্যে ছিল শিরোপা জয়ের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে সান্তাহার পৌরসভাকে হারিয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদ টুর্নামেন্টের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।
ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে মাঠে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দর্শকদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উপস্থিতিতে পুরো মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার, খেলাধুলার প্রতি তরুণদের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

