https://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাSunday , 23 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি বার্তা
  12. খাগড়াছড়ি
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. খোলা কলাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের পুনর্বাসনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

admin
August 23, 2026 11:51 pm
Link Copied!

দৈনিক প্রাণের শহর বিডি ডেস্ক:

ঢাকা, ২৩ আগস্ট ২০২৬: গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এমপি। এতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করা হয়েছে। একইভাবে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যারা গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, পঙ্গুত্ব ও দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো নির্মমতার শিকার হয়েছেন এবং মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর কারাভোগ করেছেন, তাদের ত্যাগকেও রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতে চায় সরকার।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো শক্তি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো পরিবারকে স্বজন হারানোর নির্মমতার শিকার হতে না হয়, সে জন্য স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম মূল চেতনা ছিল মানুষের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে যারা এসব আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, গুম, নির্যাতন ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালী ‘Rules of Business, 1996’-এর Schedule-I (Allocation of Business) সংশোধন করে নতুন এ দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার বিষয়ে নীতিগত আলোচনা হয়।

 

সভায় ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এগুলো হলো—মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, ভুক্তভোগী ও পরিবারের পূর্ণ অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন এবং ‘Rules of Business, 1996’-এর Schedule-I সংশোধন করে এ সংক্রান্ত দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা।

জাতিসংঘের ‘Basic Principles and Guidelines on the Right to a Remedy and Reparation’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্যসেবা, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আমাদের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল"প্রাণের শহর বিডি'র জন্য সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন অথবা সিভি পাঠিয়ে দিন। সিভি পাঠানোর ইমেইল Mintuislam59@gmail.com, আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। আমাদের খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।