https://pranershohorbd.net/wp-content/uploads/2022/09/logo-ps-1.png
ঢাকাMonday , 8 June 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া বার্তা
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কৃষি বার্তা
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. খোলা কলাম
  14. গনমাধ্যাম
  15. গাইবান্ধা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তীব্র গরমে বগুড়ায় বেড়েছে তালশাঁসের চাহিদা, কেটে কেটে বিক্রির ধুম

admin
June 8, 2026 8:11 pm
Link Copied!

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন বগুড়াজুড়ে বেড়েছে মৌসুমি ফল কচি তালশাঁসের কদর। প্রচণ্ড গরমে শরীরকে কিছুটা শীতল রাখা ও তৃষ্ণা মেটাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মোড়ে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। ফলে তালশাঁস বিক্রিতে দেখা দিয়েছে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য।

জেলার শিবগঞ্জ, মহাস্থান, মোকামতলা, শেরপুর, আদমদীঘি এবং শহরের সাতমাথাসহ বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে সবুজ কচি তাল। বিক্রেতারা দক্ষ হাতে ধারালো দা দিয়ে তালের শক্ত আবরণ কেটে ভেতরের স্বচ্ছ, নরম ও রসালো শাঁস বের করে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। কেউ দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন, আবার অনেকে পরিবারের জন্য বাড়িতেও নিয়ে যাচ্ছেন।

সাধারণত একটি তালে দুই থেকে তিনটি শাঁস পাওয়া যায়। আকার ও মানভেদে প্রতি পিস তালশাঁস ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও বড় আকারের একটি সম্পূর্ণ তাল ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তুলনামূলক কম দাম এবং প্রাকৃতিক স্বাদ থাকায় ক্রেতাদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

মহাস্থান বাজারের আন্ডারপাস সড়কের পাশে তালশাঁস বিক্রি করা এক ব্যবসায়ী জানান, “প্রচণ্ড গরমে মানুষ ঠান্ডা ও পানিসমৃদ্ধ খাবারের দিকে ঝুঁকছে। তালশাঁস যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরকে প্রশান্তিও দেয়। দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। প্রতিদিন গড়ে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার শাঁস বিক্রি করছি।”

তালশাঁস কিনতে আসা পথচারী রোজিনা আক্তার বলেন, “রোদের মধ্যে চলাফেরা করতে গিয়ে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। তালশাঁস খাওয়ার পর শরীর অনেকটা সতেজ লাগছে। এটি প্রাকৃতিক ফল হওয়ায় নিশ্চিন্তে খাওয়া যায়।”
পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসের অধিকাংশ অংশই পানি দিয়ে গঠিত, যা গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও খাদ্যআঁশ (ফাইবার) রয়েছে, যা হজমশক্তি বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমের সময় প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে ঠান্ডা রাখতেও তালশাঁস বেশ উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্থানীয় মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীরা জানান, তালশাঁস বিক্রির মৌসুম খুবই স্বল্প সময়ের হলেও এটি লাভজনক একটি ব্যবসা। বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসজুড়ে তীব্র গরমের সময় এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা থেকে পাইকারি দরে কচি তাল সংগ্রহ করে শহরের বাজার ও সড়কের পাশে বিক্রি করা হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বগুড়ার তালশাঁস আশপাশের জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হচ্ছে।
গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে তালশাঁসের জনপ্রিয়তা। প্রাকৃতিক স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং সহজলভ্যতার কারণে গ্রীষ্মের এই ঐতিহ্যবাহী ফলটি এখন বগুড়ার মানুষের কাছে স্বস্তির এক নির্ভরযোগ্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে।

আমাদের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল"প্রাণের শহর বিডি'র জন্য সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন অথবা সিভি পাঠিয়ে দিন। সিভি পাঠানোর ইমেইল Mintuislam59@gmail.com, আমাদের দৈনিক প্রাণের শহর বিডি অনলাইনে সারাদেশের পাঠকরা নিউজ পাঠাতে পারেন" নিউজ পাঠানোর ইমেইল pranershohorbd@gmail.com এ। আমাদের খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।