এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার কাহালু থানায় দায়ের হওয়া একটি আলোচিত ছিনতাই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. ফাহিম (২৩)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১২, ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানি (সিপিএসসি), বগুড়া।
র্যাব-১২ জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র্যাবের ধারাবাহিক অভিযান সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে কাহালু উপজেলার মুর ইউনিয়নের পোড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে বড়মোহরগামী সড়কে ভিকটিম মো. শামিম প্রামানিক সিএনজিযোগে যাওয়ার সময় দুইটি মোটরসাইকেলে করে চারজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। পরে দেশীয় ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভিকটিম ও সিএনজিচালকের কাছ থেকে দুইটি স্কুলব্যাগে থাকা হিসাবের খাতা, ফল বিক্রির নগদ ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং উত্তরা ব্যাংক, এলেঙ্গা (টাঙ্গাইল) শাখার মিকদাদ কোল্ড স্টোরের নামে মোট ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যমানের দুইটি স্বাক্ষরিত চেক ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম কাহালু থানায় একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, মামলাটির তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. ফাহিম গ্রেপ্তার এড়াতে বগুড়া জেলায় আত্মগোপনে রয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (১৩ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার একটি আভিযানিক দল সদর থানার সিলিমপুর এলাকায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পলাশের মেসে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত মো. ফাহিম (২৩) বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার চককানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাহালু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ আরও জানায়, অপরাধ দমন, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের এ ধরনের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

