এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল খালেক মন্ডল (৭০) আর নেই। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ধুনট পৌরসভার পশ্চিম ভরণশাহী গ্রামে তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
মরহুম আব্দুল খালেক মন্ডল পশ্চিম ভরণশাহী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ধুনট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ধুনটের স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় তিনি একজন পরিচিত ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ধুনটের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
আব্দুল খালেক মন্ডলের মৃত্যুতে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জানে আলম খোকা। বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধুনট উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম তৌহিদুল আলম মামুন, বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য ও ধুনট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবুল মুনসুর আহমেদ পাশা, ধুনট পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব হোসেন চঞ্চল এবং ধুনট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম. এ. রাশেদসহ বিভিন্ন ব্যক্তি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আব্দুল খালেক মন্ডলের মৃত্যুতে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে। তাঁর মৃত্যুতে ধুনটের বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে একজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো।

