এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের বিস্তার রোধ এবং চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ধুনট থানা পুলিশ। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল, বিশেষ নজরদারি ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জনবহুল এলাকা ও অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি দিন-রাত নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় গ্রামাঞ্চলে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। মোটরসাইকেলে টহল, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং মাদক কেনাবেচার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তৎপর রয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাংবাদিক এম.এ রাশেদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কার্যক্রমের কথা জানান ওসি মো. আতিকুল ইসলাম। এম.এ. রাশেদ ধুনট উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ পত্রিকার বগুড়া জেলা প্রতিনিধি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক গণআওয়াজ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক মুক্তজমিন পত্রিকা স্টাফ রিপোর্টার।
ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, “ধুনট থানার সব কর্মকর্তা ও সদস্য দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা উপজেলাবাসীকে সেবা দিতে নিয়োজিত রয়েছেন। মাদক, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ধুনট থানাধীন গ্রামগঞ্জে রাতের টহল জোরদার করা হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানিমুক্ত ধুনট গড়ে তুলতে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে আনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত তৎপরতার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপরিচিত বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং মাদক ব্যবসা কিংবা যেকোনো অপরাধের তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো গেলে অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
এদিকে, উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে- এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার হলে ধুনটে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখা আরও সহজ হবে।

