এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের হাসাপোটুল গ্রামের বাসিন্দা ও দীর্ঘদিনের প্রবাসী সরোয়ার হোসেন (৫৫) মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শজিমেক) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মরহুম সরোয়ার হোসেন এলাঙ্গী ইউনিয়নের হাসাপোটুল গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, মা, এক বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রবাসজীবনে তিনি পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। সম্প্রতি তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই রোববার তাঁর মৃত্যু হয়।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে হাসাপোটুল গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু ও পরিচিতজনেরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করা সরোয়ার হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মধ্যেও শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে সরোয়ার হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ধুনট উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক এম.এ রাশেদ।
এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাংবাদিক এম.এ রাশেদ বলেন, “ফুফাতো বড় ভাই সরোয়ার হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ও গভীর শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন।”
এ ছাড়া মরহুম সরোয়ার হোসেনের ভাগিনা ও বিদেশপ্রবাসী আফিজার রহমান, সৈকত হোসেন, রাসেল মিয়া ও সোহেল রানাও তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
মরহুমের জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানা গেছে।

