এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া পদাতিকের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ টিটু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। ‘আনন্দময় কিছুক্ষণ’ শীর্ষক এ আয়োজনে গান, আবৃত্তি ও নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মিলনায়তন।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বগুড়া মহানগরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেন, একটি জাতির সুস্থ ও সৃজনশীল বিকাশে সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন প্রজন্মকে অপসংস্কৃতির প্রভাব থেকে দূরে রাখতে দেশীয় সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর দায়িত্ব আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বগুড়া পদাতিক যে ভূমিকা পালন করে আসছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ওয়াহিদ মুরাদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া রিয়েল এস্টেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রানার প্লাজার পরিচালক মো. সাইরুল ইসলাম, জাসাস বগুড়া জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল পাশা রানা এবং সিনিয়র সাংবাদিক মহসিন আলী রাজুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা।
বগুড়া পদাতিকের সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান ছালু ও যুগ্ম সম্পাদক বাদল আকন অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন।
সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় বগুড়া পদাতিকের শিল্পীদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত শিল্পীরাও সংগীত, আবৃত্তি ও বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেন। তাদের পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনে বগুড়া পদাতিকের সদস্য ও সংস্কৃতিকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বগুড়া পদাতিক স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক চর্চা ও বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতিমুখী করতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

