এম এ রাশেদ, স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার শেরপুর থানায় দায়ের করা একটি চুরি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. আফিল উদ্দিন পিন্টু (৪০)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১২-এর ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানি (সিপিএসসি), বগুড়া।
র্যাব-১২ জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাহিনীটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, হত্যা, অপহরণ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, শেরপুর থানার এফআইআর নং-১৭, তারিখ ৯ জুলাই ২০২৬ (জিআর নং-১৮৬), পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৪৫৭/৩৮০ ধারায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মো. আলতাফ হোসেন মণ্ডল (৪৭) পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত মিশুকচালক। গত ৮ জুলাই রাতে তিনি প্রায় ৯০ হাজার টাকা মূল্যের নিজের ব্যাটারিচালিত মিশুকটি বাড়ির একটি কক্ষে চার্জে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, দুর্বৃত্তরা তালা ভেঙে মিশুকটি চুরি করে নিয়ে গেছে। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সেটি উদ্ধার না হওয়ায় তিনি শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল গত ১৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার উঞ্চুরখী স্ট্যান্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. আফিল উদ্দিন পিন্টু (৪০), পিতা—মৃত বিরাজ উদ্দিন মণ্ডল, গ্রাম—ধনঞ্জয়, থানা—গাবতলী, জেলা—বগুড়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ আরও জানায়, অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বাহিনীটি উল্লেখ করেছে।

