স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী ২৮ জুন (রবিবার) সারাদেশের ন্যায় বগুড়া জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। ঐদিন সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সকাল ৯টায় বগুড়ার দত্তবাড়ি শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করা হবে। এবারের ক্যাম্পেইনে বগুড়া জেলায় ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ৬০ হাজার ৯৭০ জন এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৮ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলার ৫ লাখ ৬ হাজার ৩৬৮ জন শিশুকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সিভিল সার্জন অফিস কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে জেলার প্রতিটি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে ১১টি স্থায়ী কেন্দ্র এবং ইপিআই কার্যক্রমের আওতাভুক্ত ২ হাজার ৬১৬টি অস্থায়ী কেন্দ্রসহ মোট ২হাজার ৮৩৫টি কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ে ৫ হাজার ২৫৪ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবেন। সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এস. এম নূর ই শাদীদ, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ নাফিউর রহমান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খুরশীদ আলম বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও সুস্থ বিকাশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতির কারণে শিশুদের নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিলেও সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগে বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, কোনো শিশু বাদ পড়লে প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খুঁজে বের করে কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ সুষম খাবার সম্পর্কে সচেতন করাও অন্যতম উদ্দেশ্য।

