এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় এক অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) সকালে উপজেলার ভান্ডারবাড়ি গ্রামের সামনে যমুনা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কয়েকজন জেলে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নদীর ভাসমান আবর্জনার সঙ্গে আটকে থাকা একটি নারীর মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি ধুনট থানায় জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটির বয়স আনুমানিক নির্ধারণ এবং পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে দৃশ্যমান কোনো তথ্যের ভিত্তিতে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, মরদেহটি যমুনা নদীর উজান থেকে স্রোতের টানে ভেসে এসে নদীর ভাসমান আবর্জনার সঙ্গে আটকে যায়। তবে ওই নারীর পরিচয়, কোথা থেকে মরদেহটি ভেসে এসেছে কিংবা কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ধুনট থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুস শুকুর বলেন, “মরদেহের পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের পরিচয় শনাক্তে স্থানীয়দের পাশাপাশি আশপাশের জেলার থানাগুলোর সঙ্গেও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

