এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ইউটার্ন নেওয়ার সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে পেছন থেকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কাহালু উপজেলার রামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে আরাফাত (১৯) ও একই গ্রামের মজনু আকন্দের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫)। আরাফাত পেশায় শ্রমিক এবং শফিকুল ইসলাম সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামপুর এলাকা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ছয়জন যাত্রী বগুড়া শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের পশ্চিম পাশ থেকে পূর্ব দিকে ইউটার্ন নেওয়ার সময় ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিতে থাকা ছয়জনই গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর পৌনে ৫টার দিকে আরাফাত ও শফিকুল ইসলাম মারা যান।
আহত চারজন হলেন রামপুর গ্রামের আশরাফ আলী প্রামাণিক (৫৯), নজরুল ইসলাম (৪৮), রফিকুল ইসলাম (৫৮) ও সাইফুল ইসলাম (৩০)। তাদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, অসুস্থ আশরাফ আলী প্রামাণিককে চিকিৎসার জন্য তাঁর ছেলে, ভাইসহ পরিবারের কয়েকজন সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। হাসপাতালের কাছাকাছি পৌঁছালে পেছন থেকে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
ওসি আরও জানান, নিহতদের মরদেহের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বাসটি শনাক্ত ও দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে পুলিশ কাজ করছে।

