এম.এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট থানার বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. আতোয়ার হোসেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি থানার বিভিন্ন শাখা, দাপ্তরিক কার্যক্রম, মামলার নথিপত্র এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।
বার্ষিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে থানায় পৌঁছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আতোয়ার হোসেন থানার বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি থানার নথিপত্র সংরক্ষণ, মামলা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সাধারণ ডায়েরি, দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা এবং পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে থানার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। একই সঙ্গে থানায় আগত সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পান, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলার নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর-ধুনট সার্কেল) শামস-ই-তাবরীজ, ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম, থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম।
এ ছাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাসান হাফিজুর রহমান, তয়েন কুমার, আমিনুল ইসলাম, ওসমান গণি, হীরক কুমার মন্ডল, আব্দুর রাজ্জাক, সোহরাব হোসেন, মোছা. আমিনা খাতুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলাম, নুর আলম মানু, মেহেদী হাসান, আব্দুর রশিদ সরকার, এরশাদ হোসাইন, বেলাল হোসেন, সেলিম শেখ, শাহজাহান আলী, নায়েব উল্লাহ, আনোয়ার, খাদিজা খানম,সহ থানার বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার হোসেন পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও মানবিক আচরণ, দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানার সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ওপরও গুরুত্ব দেন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুলিশের নিয়মিত বার্ষিক পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ধুনট থানায় এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এ ধরনের পরিদর্শনের মাধ্যমে থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম, নথিপত্র সংরক্ষণ, সেবার মান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।

