স্টাফ রিপোর্টার
গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সাদুল্লাপুর উপজেলার উপর দিয়ে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে বয়ে যাওয়া ঝড়ো হাওয়া ও টানা দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আধাপাকা ও উঠতি আমন ধান ক্ষেত মাটিতে নুটে পড়েছে। কোথাও কোথাও জমিতে পানি জমে গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, দুপুরে হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়-বৃষ্টিতে আগাম জাতের পাকা ও কাঁচা ধান নুটে পড়ে। দীর্ঘদিনের শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে ফলন ঘরে তোলার অপেক্ষায় থাকা কৃষকরা এখন ক্ষতির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জসিজল হক বলেন, “এই ঝড় বৃষ্টিতে আমার ৫ বিঘা জমির আমনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধান সব মাটিতে পড়ে গেছে।”
সাদুল্লাপুর উপজেলার হামিন্দপুর গ্রামের কৃষক আসাদুল ইসলাম বলেন, “আগাম জাতের আমনধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ফলন নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।”
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্টাচার্য জানান, “বাতাসে কিছু জমির ধান নুয়ে পড়েছে। হেলে পড়া ধান কয়েকটি গোছা একত্র করে নরম দড়ি বা খড় দিয়ে আলতো করে বেঁধে দিলে ভালো হবে। তবে ৭০-৮০ শতাংশ পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলে ফেললে ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব।”
ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ বলেন, “আমার উপজেলায় আমন ক্ষেত বাড়ন্ত বয়সে রয়েছে, সেকারণে তেমন ক্ষতি হবে না। যেহেতু মিল্ক স্টেজে ধান ক্ষেত নেই, তাই সেভাবে ক্ষতি হবে না বলে মনে হয়।”
এদিকে বৃষ্টিতে মোট কত হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

