এম.এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ“যুব-ঐক্য-প্রগতি, সবার আগে বাংলাদেশ”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ২ নম্বর কালারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) বিকেলে উপজেলার কান্তনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম. কলেজ মাঠে এ কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
ধুনট উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরও সুসংগঠিত করতে যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, যুবদল জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী সংগঠন। তাই সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মীকে শৃঙ্খলা, সততা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, “আমাদের কর্মকাণ্ডে যেন সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমেই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।” পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান বক্তা মো. আবু হাসান বলেন, সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে যুবদল ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। তরুণদের অংশগ্রহণে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি করাই এ ধরনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সম্মেলন শেষে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও কার্যকর করতে বিভিন্ন সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে কর্মী সম্মেলনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

