এম.এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহানগর শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে জয় পেয়েছে ৪ নম্বর ওয়ার্ড। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ৮ নম্বর ওয়ার্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে দলটি।
ফাইনাল ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ৪ নম্বর ওয়ার্ড। ব্যাট করতে নেমে ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৮ রান সংগ্রহ করে ৮ নম্বর ওয়ার্ড। দলের হয়ে তানিম ও রাতুল ১৬ রান করে করেন।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করে ৪ নম্বর ওয়ার্ড। ছনির ১৭, তানভীরের ১৬ ও রায়হানের ১৪ রানের কার্যকর ইনিংসে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দলটি। ফলে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা নিজেদের করে নেয় ৪ নম্বর ওয়ার্ড।
ফাইনালে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য বিজয়ী দলের ছনিকে ম্যান অব দ্য ফাইনাল এবং রানার্সআপ দলের তানিমকে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত করা হয়।
খেলা শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া মহানগর শাখার সেক্রেটারি ও আসন্ন বগুড়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলটির মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যাপক আ.স.ম. আব্দুল মালেক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া মহানগর শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি আব্দুস ছালাম তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন বিভাগের সেক্রেটারি আব্দুল হাদী শাফিক।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা মাহফুজ মোল্লা, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জামায়াত মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এরশাদুল বারী এরশাদ, মহানগর শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি এনামুল হক রানা, ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির আব্দুল কুদ্দুস এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মাহবুবুর রহমান রানা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াত মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, মহানগর শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের যুগ্ম সম্পাদক নামিরুল হক জার্জিস, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু সুফিয়ান পলাশ, মোকাম্মেল হোসেন, ফজলুল করিম বিপুল, দেলোয়ার হোসেন এবং টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্যসচিব মোস্তফা মোঘলসহ অন্যরা।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দুই দলের প্রত্যেককে একটি করে খাসি পুরস্কার দেওয়া হয়।
যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে সুস্থ ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

